Subject Review Of NSE By MIST

What is NSE?

আধুনিকতার ছোঁয়া পড়ছে বিশ্বের প্রতিটি মেজর সেক্টরে, আধুনিকতার সাথে তাল মেলাতে আসছে নতুন নতুন বিষয়গুলো। নিউক্লিয়ার সায়েন্স এন্ড ইনজিনিয়ারিং তাদের মধ্যে অন্যতম।

ইতিমধ্যে আমরা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নাম সবাই শুনেছি। এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হল ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস। আর এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটানো হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়। ইঞ্জিনিয়ারিং এর যে শাখা এসব নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া থেকে প্রাপ্ত বিপুল পরিমাণ শক্তি কিভাবে কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে আলোচনা করে সেটা নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং।

সহজ করে বলতে গেলে- “যে সব বিক্রিয়ায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে তারাই নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এর যে শাখা এ সব নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া থেকে প্রাপ্ত বিপুল পরিমাণ শক্তি নিয়ে কিভাবে কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে আলোচনা করে সেটাই নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং”।

নিউক্লিয়ার পদার্থ বিজ্ঞানের অ্যাপ্লাইড শাখাটাকেই আসলে এই বিষয়ের ভিত্তি-প্রস্তর হিসেবে ধরা হয়। যদিও নিউক্লিয়ার নামটা শুনলেই পারমানবিক বোমা বা বিদ্যুৎ শক্তির প্ল্যান্ট চোখের সামনে ভাসতে থাকে। বিষয়টা ঠিক তা না। এই দুটো বিষয় ছাড়াও Radiation, Nuclear safety, Nuclear health, Nuclear waste management, Future of nuclear energy, Nuclear medicine, Experiment Nuclear Physics, Nuclear Astrophysics, Theoretical Nuclear physics সহ এমন আরো অনেক কিছু যুক্ত আছে এর সাথে। আর একটা ইম্পরটেন্ট ইনফরমেশন, যদি তোমার পিউর ম্যাথম্যাটিক্স আর ফিজিক্স এ প্রচুর ইন্টেরেস্ট থাকে দেন ইউ আর ওয়েলকম, দুটো জিনিসকে মিক্স করলেই NE কে উপলব্ধি করা যায়।

History of NSE :

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সাবজেক্টির ইতিহাস বড় নয়। সময়ের চাহিদা মেটাতে ২০১৪ এবং ২০১৫ তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং MIST এ শুরু হলো নিউক্লিয়ার সায়েন্স এন্ড ইনজিনিয়ারিং ‘বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং’ কোর্সের পথচলা। ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, মেডিকাল সহ আরো বেশ কয়েকটি সেক্টরকে মজবুত করার টার্গেট রেখে এগিয়ে যাচ্ছে MIST এর NSE Department. এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর দেড় বছর মেয়াদি এমএস কোর্স চালু আছে।

Why NSE?

বর্তমানে আমরা শক্তির উৎসের জন্য সম্পূর্নভাবে(৭০%-৮০%) জীবাশ্ম জ্বালানী এর উপরে নির্ভরশীল যা অফুরন্ত কোন সম্পদ নয়।আর এর থেকেই NE এর ভবিষ্যত সম্পর্কে উচ্চাশা করাই যায় কারণ সামান্য ভর থেকে অফুরন্ত শক্তি মানেই তো নিউক্লিয়ার!!!

বাংলাদেশে বর্তমান এবং আপকামিং NE এর মেজর ফিল্ডগুলো বলতে গেলে প্রথমেই আসে রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট এর কথা যা বর্তমানে নির্মাণাধীন অবস্থায় রয়েছে। ক্রমবর্ধমান বৈদ্যুতিক চাহিদা, দেশজ জ্বালানির অপ্রতুলতা, জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা, পরিবেশের ভারসাম্যতা ইত্যাদি বিবেচনায় রেখে দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে সুষম, আর্থিকভাবে লাভজনক ও কারিগরি দিক থেকে গ্রহণযোগ্য পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্দেশ্যে এগিয়ে চলছে এর নির্মাণকাজ যা ২০২৩ এর মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে অংশগ্রহন করবে। তাই, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে এর নির্মাণকাজ শেষে জব সেক্টরে তৈরি হবে নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারস্‌ দের বিরাট চাহিদা।

এছাড়া দেশের মেডিকাল সেক্টরকে মজবুত করতে সরকার ইতিমধ্যে দেশের আটটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ইনষ্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন এন্ড এ্যাপ্লায়েড সায়েন্স স্থাপন করার কাজ হাতে নিয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৫৮২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। শেরেবাংলা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, বক্ষব্যাধী ইনষ্টিটিউট, শেখ সায়েরা খাতুন মেডিক্যাল হাসপাতাল গোপালগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোর, কক্সবাজার ও সাতক্ষীরা মেডিকাল কলেজে এসব স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি, NINMAS, বাংলাদেশের প্রায় বিশ বছরে প্রতিষ্ঠিত ১৫ টি পাবলিক-ফান্ডেড পারমাণবিক ঔষধ কেন্দ্রগুলির মধ্যে একটি। এটি অনকোলজি, কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি এবং সেরিব্রাল স্টাডিজের ক্ষেত্রে প্রতি বছর 60,000 এরও বেশি পারমাণবিক ঔষধ পদ্ধতি বহন করছে যা জব সেক্টরের একটি বিরাট ক্ষেত্র।

NSE outside of Bangladesh:

দেশের বাইরে এর ক্ষেত্র বহু আগের। নিউক্লিয়ার টেকনলোজির দিক দিয়ে আমেরিকা, কানাডা, ফ্রান্স, জাপান, জার্মানি সহ আরো অনেক দেশ এগিয়ে রয়েছে। বিশ্বের ‘Highest Paid Engineers” এর তালিকায় ২য় স্থান ইতিমধ্যে অর্জন করে নিয়েছে ‘The Most Integrated of the Engineering Discipline’ খ্যাত এই বিষয়টি। মর্ডাণ ও রিসার্চ বেস্‌ড সাবজেক্ট হওয়ায় স্ক্লারশিপ পাওয়া তুলনামূলক ভাবে সহজ। নিউক্লিয়ার প্রযুক্তির দিক দিয়ে উন্নত দেশ যেমন আমেরিকা, কানাডা, ফ্রান্স, জাপান, জার্মানি আরো অনেক দেশ এগিয়ে রয়েছে। বিশ্বের highest-paid ইঞ্জিনিয়ার্স এর তালিকায় দ্বিতীয় স্থান ইতিমধ্যে অর্জন করে নিয়েছে দা মোস্ট ইন্টিগ্রেটেড ইঞ্জিনিয়ারিং বিখ্যাত এই বিষয়টি।

Job field of NSE :

চাকরির বাজার বলতে প্রথমে এ ই আসে রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট। এছাড়া Atom energy Commission এ আছে বিপুল সুযোগ সুবিধা এই সাবজেক্টের। যেহতু সাবজেক্ট টি অনেকটাই নতুন তাই জব ফিল্ড এ মারামারি টা ও কম অনেস্টলি।

এবার আসি দেশের বাইরের কথায় – ভারতের 6 টি কোম্পানি নিউক্লিয়ার পাওয়ার ক্ষেত্রে কাজ করছে ইউরোনিয়াম মাইনিং থেকে শুরু করে ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন পর্যন্ত। কানাডায় 9 টি, চীনের 4 টি, জার্মানির 4 টি, অস্ট্রেলিয়ার 4টি, ফ্রান্সের 6টি,রাশিয়ার 12 টি, ফিনল্যান্ডের 3 টি, কোরিয়ার 4 টি, সুইডেনের 4 টি এবং 14 টি কোম্পানি কাজ করছে, এ সেক্টরে যুক্তরাজ্য আজারবাইজান বেলজিয়াম ব্রাজিল বুলগেরিয়া চেক রিপাবলিক ইতালি কাজাকিস্তান নেদারল্যান্ড সাউথ আফ্রিকা ইউক্রেন নিউক্লিয়ার সেক্টরে কাজ করছে এমন কোম্পানি রয়েছে অনেক। বর্তমানে বাংলাদেশি নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়াররা জাপান, জার্মানি, কানাডা, আমেরিকার নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট গুলোতে কৃতিত্বে সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। শুধু কি নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়াররা কাজ করতে পারবেন মেডিকেল সেক্টরেও। মেডিকেল সেক্টরে রেডিয়েশন দিয়ে মেডিকেল ইকুইপমেন্ট, ফুড প্রসেসিং জীবাণুমুক্তকরণ নিউক্লিয়ার মেডিসিন এর প্রয়োগ, রেডিওথেরাপি, এগ্রিকালচার, মেডিসিন ইন্ডাস্ট্রি, রেডিও একটিভ ম্যাটারিয়ালস তৈরি, রেডিয়েশন নিয়ে যাবতীয় কাজ মানেই নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ার।।

NSE in MIST :

এবার আসি MIST এর এই ডিপার্টমেন্টের কথায়, উল্লেখ করা যায় অনেক কিছুই, সবথেকে উল্লেখযোগ্য বলা যায় MIST এবং রোসাটম টেকনিক্যাল একাডেমি, রাশিয়া ২০১৮ সালের ২৪সেপ্টেম্বর MoU স্বাক্ষর করে যেখানে থাকছে ফ্যাকাল্টি এক্সচেন্জ, জয়েন্ট রিসার্চ & স্পেশাল ট্রেনিং অন নিউক্লিয়ার টেকনোলজি এর মত আরো অনেক সু্যোগ সুবিধা। প্রথম বছরেই MIST NE ডিপাটমেনট MSc এবং PHD প্রোগ্রাম চালু করে। MIST তে রয়েছে এই বিষয়ে PHD সম্পন্ন ফ্যাকাল্টি এন্ড অত্যাধুনিক ল্যাব সুবিধা। MIST থেকে গ্রাজুয়েশন এবং পোস্ট গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে দেশ ও দেশের বাইরে সুনামের সাথে নিউক্লিয়ার ক্ষেত্র প্রসারিত করার জন্য কাজ করতে পারবেন |

Credit::

𝙍𝙖𝙯𝙞𝙖 𝙎𝙪𝙡𝙩𝙖𝙣𝙖 𝙍𝙞𝙥𝙖 – 𝙉𝙎𝙀-06

𝙎𝙪𝙢𝙖𝙞𝙮𝙖 𝙄𝙨𝙡𝙖𝙢 – 𝙉𝙎𝙀-06

𝙏𝙖𝙛𝙨𝙞𝙧 𝘼𝙝𝙢𝙚𝙙 – 𝙉𝙎𝙀-06

Leave a Reply

Your email address will not be published.